
গাইবান্ধা প্রতিনিধিঃ
চুরি হওয়া গরুর বিপরীতে চাহিদার সমপরিমান টাকা দিলেই পাওয়া যাচ্ছে গরু। এরকমই এক অভিনব কর্মকান্ড ঘটছে গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার হরিরামপুর ইউনিয়নে রামপুরা গ্রামে।
কয়েকমাসের ব্যবধানে ওই এলাকার ৪ টি কৃষকের গৃহপালিত পশু গরু চুরি হওয়ায় আতঙ্কে বসবাস করছে ঐ অঞ্চলের সাধারন মানুষ। তারা বলছে আমাদের সম্পদ যদি বাড়িতে নিরাপদ না থাকে তাহলে আমরা কি করবো। খেয়ে না খেয়ে এই পশুকে পালন করি আমাদের বিপদের ঢাল হিসাবে কিন্তু সেই গরু রাতে চুরি করে নিয়ে যাচ্ছে একটি চোর চক্র । রামপুরা গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা বীরেন চন্দ্রের ছেলে শ্যামল চন্দ্র সরকার জানায়, গত দুইমাস পূর্বে তার একটি গাভী চুরি হয় পঁচিশ হাজার টাকার বিনিময়ে ফেরৎ পায় সে। কিন্তু গত পাঁচ দিন পূর্বে তার আরো একটি গরু চুরি হলেও সেটি এখনও ফেরত পায়নি। গরু না পেয়ে দিশেহারা অবস্থায় আছে।
একই গ্রামের সাইফুলের গরু চুরি হয় গত রবিবার রাতে এক দিন অতিবাহিত হলে সেই গরু আবার রেখে যায় চক্রটি। সাইফুলের গরুটিও সিস্টেম করে লোকজন ধরে নিয়েছে বলে জানান তিনি।
একই গ্রামের শ্রী কমল চন্দ্র তুফানের গরু চুরি হলেও সে গরুটি এখনো পান নি তিনি।
তুফান বলেন ইউপি চেয়ারম্যান মেম্বার সহ নেতৃবৃন্দ কে বলেছি কিন্তু আজও কোন ব্যবস্থা নেয়া হয় নি।
গ্রামবাসী জানায়, চুরি হওয়ার পরে একটি চক্রের মাধ্যমে প্রস্তাব দেওয়া হয়। তাদের চাহিদা মত টাকা পরিশোধ করলেই মিলে গরু। টাকা পরিশোধ না করলে গরুর কোন সন্ধান পাওয়া যাবে না। এরকমই আজব এক কান্ড ঘটছে গ্রামের সহজ সরল মানুষের সাথে। চুরি যাওয়া গরু ফেরৎ দেওয়ার পরে দেওয়া হচ্ছে হুমকি। নাম প্রকাশ করলেই নেমে আসবে বড়ধরনের বিপদ। সেই ভয়ে কেউ মুখ খুলতে চাইছেনা গ্রামের খেটে খাওয়া মানুষগুলো।
এলাকার সচেতন মহল বলছে নেশাখোর দের উপদ্রব বেড়ে গেছে, আইন শৃঙ্খলা অবনতি হওয়ার কারণে ঘটছে মোবাইল, ছাগল, হাস মুরগী ও ভ্যান চুরির এরকম ঘটনা।
তাদের দাবি দ্রুতই যেন এসব চক্রের হোতাদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হয়।
গোবিন্দগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ তদন্ত পবিত্র কুমার বলেন, এ বিষয়ে আমরা কোন অভিযোগ
এখনো পাইনি, অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
সম্পাদক : মো. আতোয়ার রহমান
নিউজ কক্ষ: ০১৭২৪১৪১২৮২
ব্যক্তি /প্রতিষ্ঠানের প্রচারণার জন্য বিজ্ঞাপন দিন
বিজ্ঞাপন কক্ষ:০১৭৯৬১৩৪০১৪
First bangla news 2024