রবিবার , ১৩ আগস্ট ২০২৩ | ৭ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
  1. আইন আদালত
  2. আন্তর্জাতিক
  3. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  4. কৃষি
  5. ক্যাম্পাস
  6. জাতীয়
  7. তথ্য ও প্রযুক্তি
  8. নির্বাচনী সংবাদ
  9. ফিচার
  10. বিনোদন
  11. মুক্ত মন্তব্য
  12. রাজনীতি
  13. সম্পাদকীয়
  14. সাক্ষাৎকার
  15. সারাদেশ

গাইবান্ধায় ১ লাখ ২৭ হাজার হেক্টর জমিতে চাষ হবে রোপা আমন।

প্রতিবেদক
FIRST BANGLA NEWS
আগস্ট ১৩, ২০২৩ ৬:১৪ অপরাহ্ণ

মনিরুজ্জামান খান সিনিয়র প্রতিবেদক : 

চলতি রোপা আমন মৌসুমের শুরুতে গাইবান্ধার কৃষকরা আবহাওয়ার প্রতিবন্ধকতার শিকার হয়েছেন। চারা রোপণের বেশিরভাগ সময়ে খরার কবলে পড়েছে। মাঝে-মধ্যে পাচ্ছেন বৃষ্টির পানি। এমন প্রতিকুলতার মধ্যে দিয়েও প্রায় ১ লাখ ২৭ হাজার হেক্টর জমিতে আমন চারা রোপণের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে চাষাবাদ শুরু করছে তারা।

  শনিবার (১২ আগস্ট) গাইবান্ধার ৭ উপজেলার বিস্তৃর্ণ মাঠজুড়ে দেখা গেছে কৃষকদের রোপা আমন চারা রোপণের ব্যস্ততা। কেউ কেউ বৃষ্টির পানিতে আবার অনেকে মেশিনে সেচ দিয়ে কাদা মাটিতে রোপণ করছে স্বপ্নের চারা।

গাইবান্ধা কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, গত আমন মৌসুমে ১ লাখ ২৯ হাজার ৬৯৯ হেক্টর জমিতে চাষাবাদ হয়েছিল। এ বছর ১ লাখ ২৭ হাজার ৪৬০ হেক্টর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ পর্যন্ত অর্জিত হয়েছে প্রায় ৫০ ভাগ। অথচ গত বছরের এই সময়ে ৮৫ ভাগ অর্জন হয়েছিল। এবারে পানির অভাবে চরম ব্যাহত হচ্ছে আমন চাষাবাদ।

স্থানীয়রা জানায়, জীবন জীবিকার জন্য গাইবান্ধার অধিকাংশ মানুষ কৃষির ওপর নির্ভশীল। এ জেলার শতকরা প্রায় ৭০ ভাগ জনসাধারণ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে কৃষি ফসল ঘরে তুলে তাদের মৌলিক চাহিদা পুরণে চেষ্টা করে।

এখানে ধান-পাট-ভূট্রা ও সবজিসহ বিভিন্ন ধরণের ফসল উৎপাদন হয়ে থাকে। এসবের মধ্যে সবচেয়ে লাভজনক ফসল হচ্ছে রোপা আমন ধান। তবে আমন চারা রোপণের সময় প্রত্যেক বছরে বন্যা দেখা দিলেও এ বছরে এখনও বন্যার প্রভাব পড়েনি। তাই সম্প্রতি উঁচু এলাকার কৃষকরা আমন ধান চারা রোপণ কাজ পুরোদমে শুরু করেছে। আর কিছুদিন পরই নিচু এলাকার কৃষকরাও রোপণ করবেন আমন চারা।

গেল বোরো আবাদে বাড়তি খরচ করে ধান উৎপাদন করেছেন তারা। সেই খরচ পুষিয়ে নিতে প্রস্তুতি নিয়েছেন রোপা আমন ধান আবাদের। কিন্তু মাঠে বৃষ্টির পানি কম থাকায় লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত না হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

পলাশবাড়ী উপজেলা ঘোড়াবান্ধা গ্রামে কৃষক৷ জহুরুল ইসলাম জানান, চলতি আমন মৌসুমে দেড় একর জমিতে ধান চারা রোপণের পরিকল্পনা নিয়েছিলেন। কিন্তু খরা আর বৃষ্টির পানি কম থাকায় সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হচ্ছে না তার। বর্তমানে সেচ দিয়ে আড়াই বিঘা জমিতে আমন চাষাবাদ শুরু করছেন।

গোবিন্দগঞ্জের নাকাইহাট হরিপুর গ্রামের আলী বলেন, বৃষ্টির পানির ওপর নির্ভর করে আমন চাষ করি। কিন্তু সেই পানির অপেক্ষায় থাকার পর কৃত্রিম উপায়ে চারা রোপণ করতে হচ্ছে। এতে করে বাড়তি খরচ গুনতে হচ্ছে। এরই মধ্যে বৃষ্টির পানি পাওয়ায় পুরোদমে চাষাবাদ শুরু করা হয়েছে।

 মনোহরপুর ইউনিয়ন উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা আরেফা আকতার বলেন, এবছরে অতিরিক্ত খরায় কৃষক কিছুটা চিন্তিত। আর আমরা কৃষি বিভাগ সবসময় কৃষকের পাশে থেকে সেচ ইউনিট চালু করে আমন ধান রোপণের পরামর্শ ও বাস্তবায়ন করে যাচ্ছি। তারপরও যদি বীজতলায় চারার বয়স ৩০ দিনের বেশি হয়ে যায় সেক্ষেত্রে করণীয় বিষয়ে পরমর্শ প্রদান করা হচ্ছে। অধিকাংশ কৃষক বীজতলা থেকে চারা তুলে বলান দিয়েছে। কিছুদিন কৃষকরা বৃষ্টির অপেক্ষায় থাকলেও এখন বৃষ্টির পানিতে রোপা আমন ধানচারা রোপণ করছেন বলে জানান এই কর্মকর্তা।

গাইবান্ধা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা খোরশেদ আলম জানান, লক্ষ্যমাত্রা যেন অর্জন হয় সে ব্যাপারে কৃষকদের সার্বিক সহযোগিতা করা হচ্ছে। এর আগে নানা দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের প্রণোদনা দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে বন্যার আগাম প্রস্তুতি হিসেবে কৃষকদের জন্য বীজতলা প্রস্তুত রয়েছে।

সর্বশেষ - আইন আদালত

আপনার জন্য নির্বাচিত

পৃথক অভিযানে গাঁজাসহ ২ মাদক কারবারি গ্রেফতার

বরগুনার তালতলীতে বি এন পি’র মিছিলে বাধা।

গোবিন্দগঞ্জে ফুলবাড়ী ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য নবায়ন ফরম জমা প্রদান অনুষ্ঠিত 

পবিপ্রবিতে ‘ব্যাটল অফ ওয়ার্ডস’ বিতর্ক প্রতিযোগিতা ১৬ জুন 

গাইবান্ধা শহরের ৩ টি ঔষধের দোকানে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা ৩৬ হাজার টাকা জরিমানা

ফুলছড়িতে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ পালিত

পবিপ্রবিতে “নিমজ্জন সহনশীল উপকূলীয় ধানের জাত অনুসন্ধান” শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

পবিপ্রবি ও রাহাত আনোয়ার হাসপাতালের সাথে চুক্তি সম্পাদন 

পবিপ্রবি শিক্ষক সমিতি নির্বাচনে সভাপতি অধ্যাপক জেহাদ, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আসাদুজ্জামান

গাইবান্ধায় সাদুল্লাপুরে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জাসদ এঁর ৫১তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে আলোচনা সভা ও কেক কাটা হয়েছে।