মঙ্গলবার , ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | ৭ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
  1. আইন আদালত
  2. আন্তর্জাতিক
  3. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  4. কৃষি
  5. ক্যাম্পাস
  6. জাতীয়
  7. তথ্য ও প্রযুক্তি
  8. নির্বাচনী সংবাদ
  9. ফিচার
  10. বিনোদন
  11. মুক্ত মন্তব্য
  12. রাজনীতি
  13. সম্পাদকীয়
  14. সাক্ষাৎকার
  15. সারাদেশ

মাদারীপুরজুড়ে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি,নিম্নবিত্তের মাথায় হাত

প্রতিবেদক
FIRST BANGLA NEWS
সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৩ ৬:১১ অপরাহ্ণ

নাজমুল হাসান, মাদারীপুর প্রতিনিধিঃ

নিত্যপ্রয়োজনীয় সব ধরনের জিনিসপত্রের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় সারাদেশের ন্যায় বেশ বিপাকে আছে মাদারীপুরের ডাসার উপজেলার সাধারণ মানুষজন।নিম্নবিত্ত থেকে থেকে মধ্যবিত্ত কেউই যেন রেহাই পাচ্ছেন না দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কবল থেকে।

আমদানি হলেও এখনও চড়া পেঁয়াজের বাজার।দেশি পেঁয়াজ-রসুন ও ডালের দামও তুলনামূলক বেশি, সুখবর নেই মসলার বাজারেও।ওদিকে রেকর্ড গড়ে অতঃপর রথ থেমেছে ডিমের। অন্যদিকে কিছুটা স্থিতিশীল দেখা গেছে সবজি ও চালের বাজার।

মংগলবার (১২ই সেপ্টেম্বর) মাদারীপুরের ডাসার উপজেলার ফজলগঞ্জ বাজার সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, দুই মাসেরও অধিক সময় ধরে উচ্চ দামে বিক্রি হচ্ছে মসলাজাতীয় প্রায় সব পণ্য। এরমধ্যে নতুন করে কিছুটা বেড়েছে পেঁয়াজের দাম। সাত-আট দিনের ব্যবধানে পেঁয়াজের দাম কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা বেড়েছে। তবে অস্বাভাবিক বাড়ার পর দাম কমে কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে এখন ২০০টাকা কেজি দ্বরে।

 সয়াবিন তেল ও চিনির মূল্য কিছুটা কমলেও এখনও পণ্য দুটির উচ্চমূল্যই রয়েছে বলা চলে। চালের বাজারও উচ্চমূল্যে স্থির রয়েছে। প্রয়োজনের তাগিদে বাড়তি দামেই এসব পণ্য ক্রয় করলেও বাজারে গিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ক্রেতারা।

তারা বলছেন, সবকিছুর দাম বাড়তি। সবকিছুই কম কম করে কিনতে হচ্ছে। নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে মানুষের আয় বাড়ছে না। তবে খরচ বেড়েছে ৩-৪ গুণ। টিকে থাকাটাই মুশকিল।

তারা আরও বলছেন, নিত্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে খুব দ্রুত তারা বিপদে পড়বেন। তখন আর চলার উপায় থাকবে না।

 পাইকারি পর্যায়ে ভালো মানের দেশি পেঁয়াজের কেজি ৮০ থেকে ৮৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।তবে,বিগত চার-পাঁচ দিনে দেশি রসুনের মুল্য কেজিতে প্রায় ৪০ টাকা হ্রাস পেয়ে ২৪০ টাকার স্থলে ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আমদানি করা রসুনের দামও ১৮০ থেকে ২০০ টাকা। আদা, জিরাসহ অন্যান্য মসলার দামও বাড়তি।

বাদামি রঙের ডিমের হালি ৫৫ থেকে ৬০ এবং হাসের ডিম প্রতি হালি ৬০থেকে ৬৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

ব্রয়লার কেজিতে ১০ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে ১৬০ থেকে ১৭০ টাকায়। আগের মতোই সোনালি জাতের মুরগির কেজি ৩১০ থেকে ৩২০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে।

সবজি কিনতে আসা আল-আমিন বলেন, বাজারে সব ধরনের সবজি আছে। কিন্তু দাম অনেক বেশি। বিক্রেতারা বাড়তি দরে বিক্রি করছেন। কেনার উপায় নেই। বাজারে যদি সংকট থাকত, তা হলে মানা যেত। কিন্তু সংকট নেই। দাম বেশি। তাই আমাদের মতো সাধারণ মানুষের সবজি কিনতেও কষ্ট হচ্ছে।

হতাশা প্রকাশ করে বাজারের ফার্মেসী ব্যবসায়ী হেলাল খান বলেন, বাজারে সব জিনিসপত্রের দাম বেড়েছে। কিন্তু আয় তো বাড়েনি। বাঁচতে তো হবে। এ জন্য বাড়তি ব্যয় সামাল দিতে প্রয়োজনের তুলনায় কম পন্য কিনেই ফিড়তে হচ্ছে বাড়ি।

সর্বশেষ - আইন আদালত

আপনার জন্য নির্বাচিত

গোবিন্দগঞ্জে সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আশু রোগমুক্তি কামনা করে মসজিদে মসজিদে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত 

মায়ের সামনে পাঁচতলা ভবনের ছাদ থেকে পড়ে শিশুর মৃত্যু

গাইবান্ধা ব্রীজরোড দূর্গাবাড়ি মন্দির কমিটির মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ায় কমিটি বিলুপ্ত: আহবায়ক কমিটি গঠন

সাদুল্লাপুরে বীর মুক্তিযোদ্ধা মোজাম্মেল হককে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন

স্কুলে শিক্ষককে পেটাল ওই স্কুলের ছাত্র!

সাদুল্লাপুরে বিষধর সাপের কামড়ে বৃদ্ধার মৃত্যু

নোয়াখালী কবির হাট উপজেলার চাপরাশি হাট ইউনিয়ন।  চাপ নোয়াখালীতে মাদ্রাসার অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অর্থ লুটপাটের অভিযোগ 

নওগাঁয় প্রাণ কোম্পানীর বিক্রয় প্রতিনিধিকে কুপিয়ে খুন

গাইবান্ধার রামচন্দ্রপুরে শিশু অধিকার প্রতিষ্ঠা শীর্ষক সংলাপ জন সম্পৃক্তকরণ প্রোগ্রামে ইউনিসেফ প্রতিনিধির পরিদর্শন

প্রভাষক মনুর শখের আম বাগানে বাজিমাত।