
গোবিন্দগঞ্জঃ
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাইবান্ধা-৪ গোবিন্দগঞ্জ আসনে বিএনপির প্রার্থী পরিবর্তন করে নির্যাতিত, ত্যাগী ও জনসম্পৃক্ত নেতাদের মধ্যে চূড়ান্ত মনোনয়ন দেওয়ার দাবিতে মশাল মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (২২ নভেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় আমরা ধানের শীষ পরিবারের আয়োজনে উপজেলার সাপমারা ইউনিয়নের কাটামোড়ে সাপমারা, রাজাহার, শাখাহার, কামদিয়া, কাটাবাড়ি ইউনিয়নের হাজার হাজার বিএনপির নেতাকর্মীর অংশগ্রহণে একটি বিশাল মশাল মিছিল বের হয়ে ঢাকা-দিনাজপুর আঞ্চলিক সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
সাপমারা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি ও উপজেলা বিএনপির সদস্য আজহারুল ইসলাম প্রধানের সভাপতিত্বে বিক্ষোভ মিছিল শেষে পথসভায় বক্তব্য রাখেন ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ন আহবায়ক শাহ আলম, ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব বাবু মিয়া, যুগ্ন আহবায়ক অলি আহমেদ, ইউনিয়ন শ্রমিক দলের ভিক্ষু, সাধারণ সম্পাদক নুরুন্নবী, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ন আহবায়ক সোহেল রানা রতন, বিএনপি নেতা জান্নাতুল, আফাজ, এখলাস প্রমুখ।
পথসভায় বক্তারা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কাছে বিগত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে মালয়েশিয়ায় বসবাসকারী মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকনের প্রাথমিক মনোনয়ন বাতিল করে দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে কারা নির্যাতিত, ত্যাগী ও জনসম্পৃক্ত নেতাদের মধ্যে চূড়ান্ত মনোনয়ন দেওয়ার দাবি জানান।
তারা আরও বলেন, ২০০৮ সালে মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকন দলীয় সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়ে নির্বাচনে হেরে তাঁর জামানত হারায়। এবার তাকে দলীয় মনোনয়ন দিলে গাইবান্ধা-৪ গোবিন্দগঞ্জ আসনটি বিএনপির হাতছাড়া হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
আমাকে যদি আপনারা জনপ্রতিনিধি নির্বাচন করেন তাহলে আমি এক টাকা চুরি করব না এবং কাউকে একটাকাও চুরি করতে দিব না।
“৩১ গাইবান্ধা ৩ আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী অধ্যপক ডা.মইনুল হাসান সাদিক তার বক্তৃতায় স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন—জনগণ যদি তাকে জনপ্রতিনিধি হিসেবে বেছে নেন, তবে তিনি এক টাকা পর্যন্ত চুরি করবেন না এবং কাউকে চুরি করতে দেবেন না। তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন একটি স্বচ্ছ, সৎ ও জবাবদিহিমূলক নেতৃত্ব গড়ে তোলার। জনগণের অধিকার রক্ষা এবং দুর্নীতিমুক্ত পরিবেশ গঠনই হবে তার মূল লক্ষ্য।”


















